শিরোনাম: সভাপতি মোতাহার, সম্পাদক মতিয়ার       খালেদা জিয়ার মেডিকেল রিপোর্ট বদলে ফেলার চেষ্টা চলছে : মির্জা ফখরুল       কুষ্ঠরোগীদের দেখে দূর-দূর করবেন না : প্রধানমন্ত্রী       ‘সৎ সাহস থাকলে প্রমাণ নিয়ে সামনে আসুন’       উলঙ্গ হয়ে প্রতিবাদ!       খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি বৃহস্পতিবার       গণতন্ত্রের আইকন থেকে গণহত্যার আসামি সু চি       ‘ভালোবাসা দিয়ে ভ্যাট নিন’       ‘শহরের ভেতর দিয়ে আন্তঃজেলা বাস চলবে না'       নিজেকে মুসলিম ঘোষণা করবেন সমাজকর্মী হর্ষ মান্দার      
নাটোরে ৪০ দিনের কর্মসূচীতে ব্যপক অনিয়ম, নজরদারি নেই কর্তৃপক্ষের
নাটোর প্রতিনিধি :
Published : Wednesday, 20 November, 2019 at 8:36 PM
নাটোরে ৪০ দিনের কর্মসূচীতে ব্যপক অনিয়ম, নজরদারি নেই কর্তৃপক্ষেরনাটোরের বড়াইগ্রামে উপজেলায় অতি দরিদ্রদের কর্মসংস্থানের জন্য ৪০ দিনের কর্মসূচীতে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ১৬ নভেম্বর থেকে উপজেলার সকল ইউনিয়নে একযোগে শুরু হয়েছে এই কর্মসূচী। এসব কর্মসূচী থেকে বাদ পড়েছে অনেক হত দরিদ্র কিন্তু স্থান পেয়েছে স্থানীয় প্রভাবশালীসহ স্বচ্ছল পরিবারের সদস্য।  
প্রকল্পের কাজ সকাল ৮ টায় শুরু হয়ে বেলা ৩ টায় শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু বিভিন্ন কর্মস্থলে স্বরেজমিনে গেলে দেখা যায় ভিন্ন চিত্র।  সরকারি তালিকা অনুযায়ী পাওয়া যায়নি মজুর। তালিকায় যে নাম আছে তাদের মধ্যে অর্ধেক রয়েছে ভিআইপি লেবার হিসাবে। কোন কোন কর্মস্থলে পাওয়া যায়নি প্রকল্প সাইনবোর্ড ও তালিকা।
উপজেলার বেশ কিছু প্রকল্প কর্মস্থল ঘুরে জোয়াড়ী ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের প্রকল্পে গেলে দেখা যায় তালিকায় আছে ৭৮জন, কিন্তু দুই ওয়ার্ড মিলে কাজ করছে মাত্র ৩৮ জন । তালিকার  ৭৮ জনের মধ্যে প্রায় ১৫ জন আছে স্থানীয় রাজনৈতিক এবং প্রভাবশালীদের নাম। এই প্রকল্পের পিআইসি মো: হাফিজ হোসেন ( ৮নং ওয়ার্ড সদস্য) এবং সহকারী পিআইসি  মো: কামাল হোসেন (৯নং ওয়ার্ড সদস্য) কাউকেই পাওয়া যায়নি কর্মস্থলে। কয়েকজন মজুর নাটোরে ৪০ দিনের কর্মসূচীতে ব্যপক অনিয়ম, নজরদারি নেই কর্তৃপক্ষেরদুঃখ করে জানান- এই প্রকল্পে কাজের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তাদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন অংকের টাকা। শুধু তাই নয়- কাজের পারিশ্রমিক বিতরন কালে প্রতিজনে নেওয়া হয় ২০০-৩০০ টাকা, যা না দিলে টাকা আটকে রাখা হয় বলে জানান হতদরিদ্র মজুর। এসকল কাজ পিআইসি মো: হাফিজ এর নির্দেশেই হয় বলে জানা যায়।  অনিয়মের বিষয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে- উভয়েই প্রকল্পে কোন অনিয়ম হইনি বলে দাবি করেন। উল্লেখ্য যে, গত মৌসুমের  টি.আর কাবিখা প্রকল্পের প্রায় দুই লক্ষ অষ্টআশি হাজার টাকা, কাজ না করেই আত্মসাৎ করার অভিযোগ আছে ৯নং ওয়ার্ড সদস্য মো: কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে।
৪০ দিনের কর্মসূচী বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পি.আই.ও) মো: আব্দুর রাজ্জাক এর নিকট জানতে চাইলে তিনি কোন কথা জানাতে অস্বীকার করে বলেন- এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এতো আগ্রহ কেন? তিনি আরও বলেন- কোন প্রকল্পে এমন অনিয়ম তার চোখে পড়েনি।  এ সকল অনিয়মের সুষ্ঠু ব্যবস্থা চান সাবেক ইউপি সদস্য সহ এলাকার সাধারন জনগন ।     





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft