শিরোনাম: ধারণক্ষমতার তুলনায় কারাবন্দি দ্বিগুণ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী        শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত প্রতিবছরই করা হবে : শিক্ষামন্ত্রী       নির্ভয়াকাণ্ড: ৪ আসামির ফাঁসি ৩ মার্চ       বাংলাদেশ থেকে ৪০০ মেট্রিক টন মধু কিনছে জাপান       চীনফেরত মানেই করোনায় আক্রান্ত নয় : আইইডিসিআর       সেই প্রমোদতরীর মার্কিন যাত্রীদের জাপান ত্যাগ       অনিয়মে না জড়াতে মৎস্যমন্ত্রীর নির্দেশ       ভারতে গাড়িতে আগুন লেগে নিহত ৭       যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন নিয়ে ভাবার সময় নেই ইরানের       বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও করবে বাম গণতান্ত্রিক জোট      
অধ্যাপক রুহুল অমিন স্যার
সেদিন শিক্ষক-ছাত্রের শক্তি অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে
ডাঃ মোঃ হাফিজুর রহমান (পান্না), রাজশাাহী ব্যুরো :
Published : Friday, 17 January, 2020 at 6:21 PM
সেদিন শিক্ষক-ছাত্রের শক্তি অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেপ্রশ্ন : আমার মনে হয় শিক্ষক ছাত্রের এমন গভীর সম্পর্ক সমাজের অন্যান্য স্তরেও জীবন্ত ছিল বলে হয়তো জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে জাতির সবচেয়ে বড় কর্মযজ্ঞটি এদেশবাসী সম্পাদন করতে পরেছে।
রুহুল অমিন প্রামাণিক স্যার : কথাটির মধ্যে যথার্থ সত্য নিহিত আছে। জ্ঞান এবং প্রেমের শক্তি অবিভাজ্য এবং অলংঘনীয়। বাঙলা ও বাঙালিসহ এদেশের সকল ধর্ম সম্প্রাদায়ের মানুষ সুদীর্ঘকাল এরই চর্চা করেছে। বায়ান্ন, বাষট্রি, আর উনত্তরের গণঅভ্যুথানের দিনগুলোতেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। আমাদের মুক্তযুদ্ধের পরতে পরতে রচিত হয়েছে তারই চর্যাপদ। উনসত্তরের এক বিশাল দিনের কথা। দিনটি রক্তলাল ১৮ ফের্রুয়ারী। শহীদ শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা আর শহীদ ছাত্র নুরুল ইসলামের রক্ত একই ধারায় প্রবাহিত হয়ে সমগ্র দেশকে উদ্ধোধিত করেছে। সেদিন শিক্ষক পরিচয় দেয়া সত্বেও বিশ্ববিদ্যালয় মুল গেটের সামনে কর্তব্যরত অবস্থায় ডা. শামসুজ্জোহার উপর পকিস্তানী মিলিটারীরা গুলি বর্ষণ করে। পরে তাঁর পেটে বুকে বেয়নেট চার্জ করা হয়।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গুলি চলেছে, শিক্ষক ছাত্ররা আহত হয়েছেন এমন সংবাদ শুনে এ্যাম্বুলেন্সকে পথ করে দেবার জন্য রাজশাহী সিটি কলেজের ছাত্র নুরুল ইসলাম সোনাদিঘির মোড়ে নিজেরই তৈরীকরা ব্যারিকেড অপসারণ করতে গিয়ে পৌরসভার ছাদ থেকে ছোঁড়া পাক মিলিটারীর গুলিতে সাহদৎ বরণ করেন। সেদিন থেকে শিক্ষক ছাত্রের রক্তধারার এই মিলনের শক্তি অবিনাশী ও অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে। সমগ্র বাংলাদেশ জাগ্রত জনতার দখলে চলে যায়। ২২ ফের্রুয়ারী পাকিস্থানী সরকার রাজবন্দী ও আগরতলা সড়যন্ত্র মামলার বিচারাধীন শেখ মুজিকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। মুক্ত হন প্রখ্যাত নেতা কমরেড মনিসিং, অগ্নিকন্যা বেগম মতিয়া চৌধরী সহ আরো অনেকে। জাতি ২৩ ফের্রুয়ারী শেখ মুজিকে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে লাখো জাগ্রত জনতার মাঝে ‘বঙ্গবন্ধ’ উপাধিতে ভূষিত করে। দেশ ও জাতি এক ‘অলখ অরুণোদয়ের’ প্রতীক্ষ করতে থাকে।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft