শিরোনাম: ‘সাজা কমে আসা কয়েদিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে’       ‘বিএনপি যেকোনও পরিস্থিতিতেই ফায়দা লোটায় লিপ্ত থাকে’       ঠিকঠাক জবাব দিতে পারি না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী       মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা ছড়ায় না : জাফরুল্লাহ       লকডাউনের পর আর্থিক উন্নতির জন্য অ্যাডভাইজারি বোর্ড গঠন মমতার       করোনা মোকাবেলায় ৫ হাজার কর্মহীন পরিবাররের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       যশোরে চালু হচ্ছে টেলিমেডিসিন সেবা       খাজুরার প্রেমচারায় ৫ শতাধিক দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ       লোহাগড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে কর্মজীবিদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       বেনাপোলে ভারত থেকে ফেরা ৪৪ যাত্রী কোয়ারেন্টাইনে      
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান করছে মিয়ানমার : ফরটিফাই রাইটস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Friday, 17 January, 2020 at 7:50 PM
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান করছে মিয়ানমার : ফরটিফাই রাইটসমিয়ানমারে রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী এখনও নাগরিকত্ব অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে ব্যাংককভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ফরটিফাই রাইটস। সংস্থাটি জানিয়েছে, রোহিঙ্গাদের অন্তর্বর্তীকালীন শিবিরে নাগরিকত্ব কার্ড না দিয়ে জাতীয় ভেরিফিকেশন কার্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে যেখানে তাদের পরিচয় ‘বাঙালি’ বলে  আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
ফরটিফাই রাইটস জানায়, রোহিঙ্গাদের ভেরিফিকেশন কার্ডে বাঙালি লিখে বোঝানো হয়েছে তারা বাংলাদেশ থেকে এসেছে এবং তাদের রোহিঙ্গা পরিচয়ের কোনো মূল্য নেই। রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব অধিকার নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানায় সংস্থাটি।
সংস্থাটি জানায়, তাদের কাছে নতুন তথ্য রয়েছে যে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এখনও রোহিঙ্গাদের ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড নেওয়ার জন্য বাধ্য করছে। এতে করে নাগরিকত্ব অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে তারা। গত বছর মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই কার্ড দেওয়া হয়।    
ফরটিফাই রাইটসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাথিউ স্মিথ বলেন, ‘এনভিসি একটি আপত্তিজনক হাতিয়ার হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত এবং সরকারের উচিত অবিলম্বে এটি বাতিল করা। নতুন প্রমাণ নিশ্চিত করে, রোহিঙ্গাদের পরিচয় মুছে ফেলা এবং তাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব অস্বীকার করার চলমান প্রচেষ্টার সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তারা জড়িত।’
মঙ্গলবার সংস্থাটির ২০২০ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা ও অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক বিচারের জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখোমুখি হয়েছে। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ দমনমূলক ফৌজদারি আইনের ব্যবহার বাড়িয়ে দেয়ার সঙ্গে স্বাধীন মতপ্রকাশ এবং সমাবেশের অধিকারও অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে।
সংগঠনটির এশিয়া উপপরিচালক পিল রবার্টসন বলেন, রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নৃশংসতার বিষয়ে অবশেষে আন্তর্জাতিক আদালতে ন্যায়বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে কথিত হামলার ধুয়া তুলে রাখাইনে পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা চালায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে লাখ লাখ রোহিঙ্গা।
আগে থেকে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে এ সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় ১২ লাখের বেশি। কক্সবাজারের উখিয়ায় বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে তারা আশ্রয় নিয়েছে।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft