শিরোনাম: ‘সাজা কমে আসা কয়েদিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে’       ‘বিএনপি যেকোনও পরিস্থিতিতেই ফায়দা লোটায় লিপ্ত থাকে’       ঠিকঠাক জবাব দিতে পারি না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী       মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা ছড়ায় না : জাফরুল্লাহ       লকডাউনের পর আর্থিক উন্নতির জন্য অ্যাডভাইজারি বোর্ড গঠন মমতার       করোনা মোকাবেলায় ৫ হাজার কর্মহীন পরিবাররের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       যশোরে চালু হচ্ছে টেলিমেডিসিন সেবা       খাজুরার প্রেমচারায় ৫ শতাধিক দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ       লোহাগড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে কর্মজীবিদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       বেনাপোলে ভারত থেকে ফেরা ৪৪ যাত্রী কোয়ারেন্টাইনে      
পলাশবাড়ীতে বৃদ্ধা ভিখারিনী মাইয়ার কপালে কোন প্রকার ভাতা জোটেনি
ছাদেকুল ইসলাম রুবেল, গাইবান্ধা প্রতিনিধি :
Published : Monday, 17 February, 2020 at 3:07 PM
পলাশবাড়ীতে বৃদ্ধা ভিখারিনী মাইয়ার কপালে কোন প্রকার ভাতা জোটেনি গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর এলাকায় লিপি হোটেল এন্ড রেস্টুরেনট এর সামনে বসে ভিক্ষাবৃত্তি করছেন বৃদ্ধা মাইয়া বেগম (৭০)। বৃদ্ধা মাইয়া বেগম বয়সের ভারে ও অসুস্থ্যতায় নুয়ে গেছেন। চলতে ফেরতে পারছেন না একটু দাড়িয়ে থাকতেই হাপিয়ে উঠছেন।তবুও দুমুঠো এক বেলা খাবারের আশায় রাস্তায় ভিক্ষাবৃত্তি করছেন। অসহায় মুখমন্ডলে অন্যের কাছে হাত পেতে ভিক্ষা চাচ্ছেন।
স্বাধীনতার একমাস পরে স্বামীর মৃত্যুর পর হতে আজঅবধি অন্যের বাড়ীতে ঝিয়ের কাজ করে এরপর বয়সের ভারে নুয়ে পড়ায় দীর্ঘদিন হলো অন্যের নিকট হাত পেতে ভিক্ষাবৃত্তি করে মানববেতর জীবন যাপন করছেন।
মাইয়া বেগমের একটি মাত্র ছেলে সে নিজেও প্রতিবন্ধি বাড়ীতে অসহায় জীবন যাপন। বৃদ্ধা মাইয়ার ভিক্ষাবৃত্তির অর্থে চলে তারা দুইজন এ অসহায় পরিবারটি।
মাইয়া বেগম বলেন, মেম্বারেরা ২ হাজার টাকা চায়, কোনটে পাম মুই টাকা, মোর টাকা নাই তাই মুই কোন ভাতাও আজও পাও নাই। কাক কোম কার কাছে বিচার চাম আল্লাহ্ ওরে বিচার করবি।
মাইয়া বেগম (৭০) পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর ইউনিয়নের দূর্গাপুর গ্রামের মৃত গেন্দেলার স্ত্রী। স্থানীয়রা বলেন বৃদ্ধা মাইয়া বেগম প্রতিবন্ধি ছেলেকে নিয়ে মানববেতর জীবন করছেন। একটু সরকারি সহায়তা পেলে পরিবারটির অসহায়ত্ব দূর হবে।
এ বিষয়ে উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান কিছু জানেন না বলে তিনি জানান, আমার ইউনিয়ানে এখন কোন অসহায় লোক নাই সে কাড পায়নি।আমি খোজ খবর নিয়ে অবশ্যই তাকে কাডের ব্যাবস্থা করে দিব।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও খবর
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft