শিরোনাম: ‘সাজা কমে আসা কয়েদিদের মুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে’       ‘বিএনপি যেকোনও পরিস্থিতিতেই ফায়দা লোটায় লিপ্ত থাকে’       ঠিকঠাক জবাব দিতে পারি না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী       মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে করোনা ছড়ায় না : জাফরুল্লাহ       লকডাউনের পর আর্থিক উন্নতির জন্য অ্যাডভাইজারি বোর্ড গঠন মমতার       করোনা মোকাবেলায় ৫ হাজার কর্মহীন পরিবাররের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       যশোরে চালু হচ্ছে টেলিমেডিসিন সেবা       খাজুরার প্রেমচারায় ৫ শতাধিক দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ       লোহাগড়ায় পৌর বিএনপির উদ্যোগে কর্মজীবিদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ       বেনাপোলে ভারত থেকে ফেরা ৪৪ যাত্রী কোয়ারেন্টাইনে      
জামিয়ার শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে পুলিশ, ভাঙছে সিসি ক্যামেরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Monday, 17 February, 2020 at 8:42 PM
জামিয়ার শিক্ষার্থীদের পেটাচ্ছে পুলিশ, ভাঙছে সিসি ক্যামেরাভারতের জামিয়া মিলিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশি নির্যাতনের আরও একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। এতে দেখা যায়,শিক্ষার্থীদের নির্বিচারে পেটাচ্ছে পুলিশ। আর সেখানকার সিসি ক্যামেরাগুলো ভেঙে দিচ্ছে নিরাপত্তা কর্মীরা। কিন্তু আন্দোলনে যোগ না দিয়ে লাইব্রেরিতে পড়াশোনা করতে থাকা নিরীহ শিক্ষার্থীদের এ ভাবে পেটানো হল কেন, তার কোনও সদুত্তর নেই দিল্লি পুলিশের কাছে।
গত ১৫ ডিসেম্বর জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকে পুলিশি ব্যাপক তাণ্ডব চালায় বলে অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তার সপক্ষে এত দিন কার্যত তেমন কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত জামিয়া কো-অর্ডিনেশন কমিটির পক্ষ থেকে রোববার একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনা হয়। সেই ভিডিয়োতে লাইব্রেরির ভিতরে ঢুকে পড়ুয়াদের মারধর ও তাণ্ডবের ছবি সামনে আসতেই শুরু হয় তোলপাড়। পরে প্রকাশ্যে আসে প্রায় একই রকম একাধিক ভিডিয়ো।
এরমধ্যেই সোমবার আরও একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আনল কো-অর্ডিনেশন কমিটি। এই ভিডিওতেও দেখা যাচ্ছে, ওই দিন ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছিলেন পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীরা। আগের দিনের ফুটেজ ছিল লাইব্রেরির স্টাডি রুমের ভিতরের। সোমবারের ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে একটি দরজার সামনে দাঁড়িয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। শিক্ষার্থীরা একে একে বাইরে বার হচ্ছেন। কিন্তু সরু দরজা দিয়ে এক সঙ্গে অনেকে বেরোতে গিয়ে জটলা সৃষ্টি হচ্ছে। তখনই শুরু হয় মারধর।
বিশেষ করে ভিডিয়োর শেষ ২০ সেকেন্ড কার্যত ভয়ঙ্কর। শিক্ষার্থীরা গাদাগাদি হয়ে পড়ে আছেন। কেউ ছুটে পালানোর চেষ্টা করছেন। ওই অবস্থাতেই ছাত্রদের যাকে সামনে পাচ্ছেন, তাকেই নির্বিচারে লাঠিপেটা করছেন নিরাপত্তা কর্মীরা। কিছুক্ষণের মধ্যেই ওই জায়গাটা ফাঁকা হয়ে যায়। তারপরর এক নিরাপত্তা কর্মীকে লাঠি দিয়ে সিসিক্যামেরাগুলো ভেঙে দিতে দেখা যায়।
রোববার ভিডিও সামনে আসার পর পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। যে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে আন্দোলনে যোগ দেননি, লাইব্রেরিতে বসে পড়াশোনা করছিলেন— এমন ছাত্র-ছাত্রীদের এই ভাবে নির্বিচারে লাঠিপেটা করার যুক্তি কী, তা নিয়ে সরব হয়েছে নানা মহল। সোমবারের ভিডিয়ো সামনে আসার পর সেই প্রশ্ন আরও জোরদার হয়েছে।
রোববার একাধিক ভিডিও সামনে আসার পরেই অস্বস্তিতে পড়েছিল দিল্লি পুলিশ। সব ভিডিয়ো ফুটেজ খতিয়ে দেখে আশ্বাস দিয়েছিল তদন্তের। দিল্লি পুলিশ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে। ভিডিওটি সামনে আসার পরেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ওই ফুটেজের প্রসঙ্গ উল্লেখ না করে দিল্লি পুলিশের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু নতুন এই ফুটেজ সামনে আসার পরে সেই অস্বস্তি আরও বাড়ল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft