শিরোনাম: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত       ৩১ মের পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি       আম্পানে ঝিনাইদহে প্রায় একশ’ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি       খালাবাড়ি বেড়াতে যেয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু       নড়াইলে মেম্বরকে কুপিয়ে হত্যা       আরও ১৭০ ভারতীয় নাগরিক ঢাকা ছাড়লেন        ঝালকাঠিতে নতুন করে আরও পাঁচজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে       উদ্বোধনের ৬ দিন পরও হলি ক্রিসেন্ট চালু হয়নি       সীমান্ত উত্তেজনায় নেপালও ভারতকে চেপে ধরছে       খুলে দেয়া হলো যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান      
একটু তো সাবধান হওয়া দরকার
মাহমুদা রিনি :
Published : Sunday, 29 March, 2020 at 8:27 PM, Update: 30.03.2020 3:59:21 PM
একটু তো সাবধান হওয়া দরকার অভ্যাস বসত লিখি, লিখতে ইচ্ছা করে। কিন্তু চারপাশের পরিস্থিতি দেখে বা শুনে যা লিখতে ইচ্ছা করে তা অনেক সময় আমার জন্য বিপজ্জনক এবং অনেকে ভুলও বুঝতে পারে।
আজ একটা ভিডিওতে দেখলাম এক মুরুব্বি চাচা এক সাংবাদিক ভাই এর সাথে তেড়েমেরে তর্ক করছেন তিনি মাস্ক পরবেন না। এমনকী শেখ হাসিনা আসলেও পরবেন না। উনার সর্দি, রুমালে নাক মুছছেন আর আল্লাহর দোহাই দিচ্ছেন।
দশদিন ঘরে বন্দি থাকার পর আজ পায়ে হেঁটে কাঁচাবাজারে গেছি একদম বাধ্য হয়ে। আমার মা আছেন বাসায়, সাবধান আমাকে হতেই হয়। যাবার সময় মসজিদের সামনে বিকাশ করার জন্য একটা দোকানে দাঁড়িয়েছি। এক মুরুব্বি চাচা ছোট ছোট দুই নাতি সাথে নিয়ে দোকান থেকে এটা সেটা কিনছেন। কারোরই কোন প্রোটেকশন নেই। দোকানদার ভাই যথেষ্ট সাবধান থাকার চেষ্টা করছেন। আমি স্বভাবের দোষেই হয়তো বলেই ফেললাম চাচা একটু তো সাবধান হওয়া দরকার। বাচ্চারা আছে সাথে। অযথা রিস্ক নিয়ে কাজ কি, বিশ্ব ব্যাপি যা অবস্থা!
উনি রাগলেন না। আমাকে একঝুড়ি হাদিস শোনালেন। তার ভিতর বিশেষ একটা "পৃথিবীতে ছোঁয়াচে বলে কোন রোগ নেই এটা নবী করিম (সঃ) বলেছেন। আমরা ইসলাম মানিনা, রোগ কে ভয় পাচ্ছি, রোগের মালিককে ভয় পাই না ইত্যাদি ইত্যাদি.......
আমি এই চাচাদের কোন দোষ দেখি না। উনারা বড় বড় ধর্মীয় বিশেষজ্ঞ ও জ্ঞানীদের বক্তব্য বা ওয়াজ শুনেছেন। করোনা পরিস্থিতি মাত্র তিনমাসের। এই সময়ের মধ্যেই এই বিশেষজ্ঞগন নানারকম বিদ্রুপাত্মক মন্তব্য করে সারাদেশে প্রচার করেছে। বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু। তারা এদের কথা শোনে এবং মেনে চলে। সেই দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে এর এদের ফায়দা হাসিল করে। অথচ ইতিমধ্যে প্রমাণ মিলেছে মসজিদ থেকেও করোনা ছড়ানোর।
দেশে যদি আজ মহামারী হয় এরা বলবে আল্লাহর গজব পড়েছে। আরো ইত্যাদি ইত্যাদি। যদি প্রথম থেকেই এদের মুখ বন্ধ করা যেত মানুষ আল্লাহর দোহাই দিয়ে এত অবহেলা করতে পারতো না। আমি বুঝি না এই ব্যাপারটাকে কেন হালকা ভাবে দেখা হয়! বিশ্বব্যাপি এই পরিস্থিতিতেও প্রকাশ্যে নানা রকম উদ্ভট কথা বলার সাহস এরা কিভাবে পায়। কেন এদের এইসব উদ্ভট কথাবার্তার উপর নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় না। আমরা এগুলো নিয়ে ট্রল করি, হেসে উড়িয়ে দিই। কিন্তু ভিতরে ভিতরে ক্ষতি যা হবার তা হয়েই যায়।
অসচেতনতায় আক্রান্তের দীর্ঘসূত্রিতা বাড়বে। আমাদের হয় মরতে হবে নয়তো আরো বেশিদিন বন্দী থাকতে হবে। বিষয়টাকে এত হালকা করে দেখার সুযোগ আছে কিনা আমার মাথায় ঢোকে না।





« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft