শিরোনাম: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ১৫ জুন পর্যন্ত       ৩১ মের পর বাড়ছে না সাধারণ ছুটি       আম্পানে ঝিনাইদহে প্রায় একশ’ কোটি টাকার ফসলের ক্ষতি       খালাবাড়ি বেড়াতে যেয়ে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু       নড়াইলে মেম্বরকে কুপিয়ে হত্যা       আরও ১৭০ ভারতীয় নাগরিক ঢাকা ছাড়লেন        ঝালকাঠিতে নতুন করে আরও পাঁচজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে       উদ্বোধনের ৬ দিন পরও হলি ক্রিসেন্ট চালু হয়নি       সীমান্ত উত্তেজনায় নেপালও ভারতকে চেপে ধরছে       খুলে দেয়া হলো যশোরের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান      
মানব সভ্যতার শুভ বাঁক বদল হয়তো আসন্ন !
Published : Tuesday, 31 March, 2020 at 11:15 PM
মানব সভ্যতার শুভ বাঁক বদল হয়তো আসন্ন !মানব সৃষ্টির পর থেকে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এসে প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ দলবদ্ধভাবে বাস করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তাদের মাঝে পারস্পারিক সম্পর্ক এবং নির্ভরতা সৃষ্টি হয়। এর থেকে সমাজের সৃষ্টি হয় এবং পরে তা থেকে সভ্যতা। সময়ের সাথে সাথে পারস্পারিক পরিবেশের সাথে মানুষের চিন্তা ভাবনা কিভাবে পরিবর্তিত হয়েছে তা এখনো ইতিহাসবিদ এবং নৃবিজ্ঞানীদের প্রিয় বিষয়।
কয়েকমাস আগে যে মানবজাতিকে মনে হতো শিক্ষায়, বিজ্ঞানে, প্রযুক্তিতে অপ্রতিরোধ্য। যার হাতের মুঠোতে সারাবিশ্বের সবকিছু। গ্রহ থেকে গ্রহান্তর যার নিত্য ভাবনা। যে অস্ত্র বানিয়ে একের পর এক সভ্যতা ধ্বংস করে ফেলছে মুহূর্তে। সে নিজেই ভাববার অবসর পায়নি যে, সে যুদ্ধ করছে আসলে নিজের বিরুদ্ধেই। যুদ্ধ যেনো তার খেলায় পরিনত হয়েছে। সেই মানুষ এখন সবচেয়ে বড় যুদ্ধের মুখোমুখি, অদৃশ্য, অচেনা শত্রুর হামলার মুখে। এতো এতো পারমাণবিক বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র, ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্রবাজার — কিছুই কাজে আসছে না। মানুষ এখন একা, মানুষ এখন নিঃস্ব, ভয়ানকভাবে অসহায়। মৃত্যুর মিছিলে এখন বিশ্বের অগনিত মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বেড়েই চলেছে প্রতিদিন। একই সঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ৩০ মার্চ পর্যন্ত গোটা বিশ্বে সরকারি হিসেবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৮৫ হাজার ৭১২ জন। মারা গেছেন ৩৭ হাজার ৮১৪ জন। বর্তমানে বিশ্বের দুইশোর অধিক দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে এই ভাইরাস। আক্রান্তের দিকে দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে এখন যুক্তরাষ্ট্র।
কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের কবিতায় লিখেছিলেন :
"প্রিয়, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য
 এসে গেছে ধ্বংসের বার্তা,                      
 দুর্যোগে পথ হয় হোক দুর্বোধ্য"

সত্যিই তাই। নিজেকে বাঁচাতে ইঁদুরের মতো গর্তে ঢুকে যাচ্ছে মানুষ। মানুষের কাছে দাঁড়ানো পাশে দাঁড়ানো এখন নিষিদ্ধ। মারক ভাইরাস ফাঁদ পেতেছে, জাল বুনেছে মানুষেরই শরীরে। সেই জালে আটকে গেছে মানুষ। ঝাঁকেঝাঁকে মরে যাচ্ছে মানুষ। কে জানে কবে মুক্তি মিলবে! এই কালো অধ্যায়ের পর কী আছে মানুষের জীবনে? হয়তো নতুন যে পৃষ্ঠা আসবে, সেখানে বদলে যাবে মানুষের কালো গল্প। নতুন করে লেখা হবে মানুষের রোজনামচা। রাজনীতি বদলে যাবে, বদলে যাবে অর্থ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা। মানবতা বা মানবিকতা তো আমরা কবেই হারিয়ে ফেলেছি। এবার হয়তো বদলে যাবে সম্পর্ক, বদলে যাবে প্রেম, ভ্রাতৃত্ববোধ, সর্বোপরি আকন্ঠ ভোগের লালসা। পরিবর্তন আসবে জীবনচর্চায়, দৃষ্টিভঙ্গিতে।

যান্ত্রিক এই পৃথিবীতে এমনিতেই মানুষ হয়ে উঠছিল একা। কিছু প্রচারণা ছিল একাকীত্বের বিরুদ্ধে। তিরতির করে জেগে থাকা সৌহার্দবোধ মানুষকে একত্রিত থাকার মন্ত্র শোনাতো, সমবেত থাকার সুবিধা চেনাতো। অথচ একাকীত্বের ধারণা এখন পাচ্ছে প্রাতিষ্ঠানিক ও সামাজিক রূপ, দৃশ্যমান প্রচারণা— একা হয়ে যাও, একা হয়ে বাঁচো। একাই যেন নিরাপদ, একাই নিশ্চিন্ত। মানুষের ইতিহাস যুথবদ্ধতার ইতিহাস। অথচ আজকের নতুন বিশ্বের একা থাকাই মূলমন্ত্র।
এতদিন জেনেছি একা মানেই পরাজয়। আমাদের প্রজন্মেই আমরা সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হওয়ার পর আমেরিকাকে নেতা হতে দেখলাম। শীতল যুদ্ধের দুই ব্লকের দৃশ্যমান রাজনীতির অবসান হয়ে গেলেও এতোদিনেও দলভারি করার বিশ্ব-রাজনীতিই প্রচলিত ছিল। সেই বিশ্ব দলাদলিকে এক তুড়িতে উড়িয়ে দিতে যেন এলো করোনাভাইরাস। যার যার মতো লড়ো, একা একা লড়ো। কৌটিল্য থেকে সুনঝু পর্যন্ত এতোদিন যত যুদ্ধবিদ্যা চালু ছিল পৃথিবীতে, সেগুলোর সব ছিল চেনা শত্রুর বিরুদ্ধে। তাই ‘শত্রুর শত্রু আমার বন্ধু’ এমন তত্ত্বও চালু থেকেছে। এবার দেখা গেল শত্রু যখন অচেনা, তখন তা সবার শত্রু। শত্রু সবসময়ই শত্রুই, কোনো ফর্মুলাতেই সেই শত্রু কারো বন্ধু নয়। সেই শত্রুর বাহন আবার মানুষ নিজেই। সুতরাং দৃশ্যমানভাবে এখন চেনা পৃথিবীতে মানুষই মানুষের শত্রু।
এ শতাব্দীর শুরুতে ৯/১১ এর ঘটনা মানুষের নিরাপত্তাবোধকে পাল্টে দিয়েছে সমূলে। এই যে বন্দরে বন্দরে এতো তল্লাশি, এতো অবিশ্বাস, এতো সাবধানতা— সব কিছুই চেপে বসেছে ৯/১১ এর পর। এর আগে বিংশ শতাব্দীর বিশ্ব অনেক সাধারণ ছিল। অনেক আটপৌরে ছিল। একবিংশ শতাব্দীর শুরুটাই হয়েছে মানুষে মানুষে অবিশ্বাস রচনার মধ্য দিয়ে। আস্ত দুটো বিমান, বিশ্ববাণিজ্য কেন্দ্রের আকাশচুম্বী ভবন যুগল আর প্রায় ৩০০০ প্রাণ সেই অবিশ্বাস পোক্ত করার জন্য যথেষ্ট ছিল না। যতটা পোক্ত করেছিল তার সপ্তাহখানেক বাদে ছড়িয়ে পড়া এনথ্রাক্স নামের রাসায়নিক। এক দেশ থেকে আরেক দেশে যেতে হলে, কোন সভা-সমাবেশে অংশ নিলে, অফিস-আদালতে ঢুকতে হলে এই যে নিরাপত্তার চাদর, সেটা তো মানুষকে অবিশ্বাস করা হয় বলেই।
এর আগের বৈশ্বিক সংকট- যেমন ২০০৮-এর অর্থনৈতিক মন্দা এবং ২০১৪ সালের ইবোলা মহামারীতে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র  বিশ্ব নেতার ভূমিকায় অবতীর্ন হয়েছিল। কিন্তুু এবার যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান সরকার বা তার প্রশাসন এই ভূমিকায় আসতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাদের কর্মকাণ্ডে মনে হচ্ছে মানব সম্প্রদায়ের ভবিষ্যতের চাইতে নিজেদের নিয়েই পাগলপ্রায়। মার্কিন প্রশাসন তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্রদেরকেও ত্যাগ করেছে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাথে সমস্ত যাতায়াত বন্ধ করার আগে যুক্তরাষ্ট্র তাদেরকে কোনরকম নোটিশ দেওয়ার প্রয়োজনও মনে করেনি- আলোচনা তো দূরের কথা। উল্টো স্ক্যান্ডাল ছড়িয়েছে যে তারা এক জার্মান ফার্মাসিউটিকাল কোম্পানিকে এক বিলিয়ন ডলার দেবার প্রস্তাব করেছিলো করোনা ভ্যাক্সিনের উপর একক আধিপত্য বিস্তারের জন্য। এরকম একটি প্রশাসন যদি এখন বৈশ্বিক কোন কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসেও, এদের কেউ কি বিশ্বাস করবে? যে নেতা নিজের দোষ স্বীকার না করে অন্যের ওপর চাপিয়ে দেন, যে নেতা নিজে সমস্ত প্রশংসা নিয়ে বাকীদের উপর চাপিয়ে দেন ব্যার্থতার দায়ভার, তাঁকে কেউ নেতা হিসেবে মেনে নেবেই বা কেন? নেতৃত্বের শূন্যতার কারণে যে বিভেদ আমাদের মাঝে তৈরি হয়েছে, তার বিপদের কথা এখনকার এই মহামারী আমাদের বুঝিয়ে দিচ্ছে গভীরভাবে।
সেই অবিশ্বাসকে যে আরও মজবুত করে দিতে আসেনি করোনা নামের ভাইরাসটি, তাই বা কে বলবে?
চলমান মহামারির বিরুদ্ধে একদিন মানুষের জয় আসবেই। কারণ, প্রজাতি হিসেবে মানুষ এতো দ্রুত হারিয়ে যাওয়ার মতো দূর্বল নয়। গত জানুয়ারির শুরুতে ইসরাইলি অধ্যাপক নোয়া হারারি আশঙ্কা করেছিলেন— "একদিন মানুষের বদলে পৃথিবী শাসন করবে অন্য কেউ, হয়তো বা ইঁদুর"। অতোটা জ্ঞানী আমরা নই, তাই এখনো মানুষের উপরই আমাদের আস্থা প্রবল। যতই ঢেউ আসুক, মানুষ বেঁচে থাকবে, মানুষ জেগে থাকবে। ‘কোভিড ১৯’ এর সঙ্গে যুদ্ধে জয় হবে মানুষেরই। তবে হয়তো মানুষের প্রকৃতি বদলে যাবে। হয়তো অবিশ্বাস আরও বাড়বে। যে অবিশ্বাস, যে সন্দেহ রসদ জোগাবে আবার বড় কোন যুদ্ধের, মানুষের বিরুদ্ধে মানুষের লড়াইয়ের। হয়তো একারণেই তৃতীয় বা শেষ বিশ্বযুদ্ধ যৌক্তিকতা খুঁজে পাবে। দুই মাস হোক বা বড় জোর দশ মাস, করোনা বিদায় হবেই। কিন্তু, কোভিড-পরবর্তী যে পৃথিবীটা রয়ে যাবে, সেটাও আসলে মানুষের জন্যই সংকটের, মানুষের জন্যই আতঙ্কের, মানুষের জন্যই দূর্ভাবনার।

মনে হচ্ছে আজকের ভোগবাদী ভুল সভ্যতাকে পতনোন্মুখ করে তুলেছে একটি অতিক্ষুদ্র অদৃশ্য ভাইরাস। এই সভ্যতা আজ তার আভিজাত্য ও ক্ষমতার দম্ভ, চাকচিক্য, উন্নয়নের বড়াই, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি-গবেষণায় অগ্রগতির আত্মবিশ্বাসী নির্ভরতা সমেত সবকিছুই প্রবলভাবে কম্পমান। যোগাযোগ ব্যবস্থার যে অভূতপূর্ব উন্নতি এ বিশ্বকে দ্রুতি ও নৈকট্যের বন্ধনে আবদ্ধ করেছিল, তা মৃত্যু, বিষাদ, বিচ্ছিন্নতা, অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কে আজ ছিন্নভিন্ন প্রায়। প্রতিটি দেশ, সমাজ, পরিবার আজ পরষ্পর বিচ্ছিন্ন হচ্ছে, মানুষকে হতে হচ্ছে নিঃসঙ্গতায় বন্দী। শুধু জনস্বাস্থ্য কিংবা চিকিৎসা-সামর্থ্য নয়, মানুষের অনেক শতাব্দির যত্ন ও শ্রমে গড়া প্রায় প্রতিটি বিনির্মান আজ ভেঙে ছত্রখান কিংবা স্থবির হয়ে পড়ছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা ওইসিডি হুঁশিয়ার করে দিয়েছে যে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর করোনাভাইরাসের প্রভাব কাটিয়ে উঠতে অনেক বছর সময় লেগে যাবে।

মানব জাতিকে তাই আজ একটি সিদ্ধান্তে আসতেই হবে। বেঁচে যাওয়া আমরা কি আগামীতে পৃর্বাপর অনৈক্যের পথে এগুবো নাকি বৈশ্বিক মানবিক সংহতির পথে হাঁটবো? আমরা যদি অনৈক্যের পথে যাই তাহলে এটি শুধু সংকটকেই প্রলম্বিত করবে তা নয় বরং ভবিষ্যতে আরো ঘোরতর দুর্যোগে পর্যবসিত হবে। আমরা যদি বৈশ্বিক সংহতির পথে যাই তাহলে শুধু করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধেই বিজয় হবে না, ভবিষ্যতের মহামারী ও মহাসংকটের বিরুদ্ধেও বিজয়ী হবে মানবজাতি।
বিশ্বাস করতে চাই, যে ভাইরাসটি দুনিয়ার সবকিছু লন্ডভন্ড করে দিচ্ছে সে নিশ্চয়ই পরাভূত হবে। তবে বিদায়ের আগে কতো মানুষের জীবনের আলো যে নিভে যাবে তা কেউ জানে না। পরবর্তী মানব সভ্যতা হয়তো তার হিসেব লিখবে কিন্ত তখন হয়তো আমরা অনেকেই থাকবো না, এই পৃথিবী থেকে মুছে যাবে আমাদের অস্তিত্ব। শুধু কি তাই? বিশ্বজুড়ে ছড়ানো এই কালব্যাধির কারণে হয়তো দুর্ভিক্ষ, নৈরাজ্য, হাঙামার মতো আরও কিছু মহাবিপর্যয় দেখা দেবে। পরবর্তী ধাপের এইসব অঘটনেও আরও অসংখ্য জীবন ঝরে যেতে পারে। অর্থনীতি, উৎপাদন ব্যবস্থা, শ্রমশীলতা, রাষ্ট্রব্যবস্থা, রাজনৈতিক মানচিত্র, মানুষের সংষ্কৃতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সমীকরণ, ভূ-প্রকৃতি সব ছত্রখান হয়ে নতুন করে বিন্যস্ত হতে পারে। মানুষের অতি বাড়াবাড়ি, সীমালঙ্ঘন, যথেচ্ছাচারের পরিণামে প্রকৃতি অতীতে এভাবেই বারবার সমাজ-সভ্যতাকে ভেঙেচুরে নতুন করে সাজিয়েছে। তাই মনের মধ্যে কিছু সম্ভাবনা তোলপাড় করছে, বিশ্বাস জন্মাচ্ছে, খুব শিগগিরই এই পৃথিবীটা হয়তো পাল্টে যাবে। সভ্যতা হয়তো বেছে নেবে মানবিক সংহতির পথ। বিভেদের পথ বেছে নিলে এখনকার পরিস্থিতি যে শুধু আরো খারাপের দিকে যাবে তাই নয়, ভবিষ্যতেও পড়তে হবে আরো বড় অন্য কোনো বিপদে। আর যদি আমরা বেছে নিই মানবিক সংহতির পথ, বিজয়টা শুধুমাত্র করোনা ভাইরাসের বিপক্ষেই হবে না, হবে ভবিষ্যতের সমস্ত সংকটের বিরুদ্ধেও। মানুষের ভাবনা-চিন্তা ভিন্নরকম হবে। গড়ে উঠবে নতুন বিশ্বব্যবস্থা। শুভত্ব, সুন্দর ও মানবিক কল্যাণের ধ্বনি বাজবে। জ্বলে উঠবে মাঙ্গলিক আলোক শিখা। ভাঙনের শব্দের মধ্যেই যেনো অনাগত সেই পরিবর্তনের শঙ্খধ্বনিই শোনা যাচ্ছে। মানব সভ্যতার শুভ বাঁক বদল হয়তো আসন্ন !
[ মানব জাতিকে আজ একটি সিদ্ধান্তে আসতেই হবে। বেঁচে যাওয়া আমরা কি আগামীতে পৃর্বাপর অনৈক্যের পথে এগুবো নাকি বৈশ্বিক মানবিক সংহতির পথে হাঁটবো? ] 




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft