শিরোনাম: সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী তথ্য প্রচার হলে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা       পুলিশের হেফাজতে ওসি প্রদীপ, নেওয়া হচ্ছে কক্সবাজার আদালতে       করোনা মোকাবিলায় এডিবির আরও ১৫ কোটি টাকা অনুদান       সরকার দুর্নীতিকে সংরক্ষণ করতে চায় : রিজভী       সাহেদের দশ দিনের রিমান্ড চায় দুদক       মহেশপুরে সরকারি রাস্তা দখল করে পাঁকা ঘরবাড়ি নির্মাণ, বিপাকে একশ পরিবার       চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৭১ জনের করোনা শনাক্ত       রাঙ্গামাটিতে পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু       পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা, আরো ৬১ জনের মৃত্যু       ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্যুইটার      
লালপুরে ধান পাচ্ছেনা খাদ্য বিভাগ
মো. আশিকুর রহমান টুটুল, নাটোর প্রতিনিধি :
Published : Monday, 13 July, 2020 at 3:16 PM
লালপুরে ধান পাচ্ছেনা খাদ্য বিভাগনাটোরের লালপুরে সরকারীভাবে বোরো ধান সংগ্রহ শুরুর দুই মাসের বেশি সময় অতিবাহিত হলেও লটারী করেও কৃষকদের থেকে ধান নিতে পারেনি খাদ্য বিভাগ। ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা ও নিরাপত্তা মজুদ গড়ে তোলার জন্য সরকারের খাদ্যবিভাগ চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলায় ১৩২ মেট্রিকটন ধান-চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এবার ধানের বাজারমূল্য ভালো হওয়ায় কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রিতে নিরুৎসাহিত হচ্ছে। দেশে নিরাপত্তা মজুদ বৃদ্ধির স্বার্থে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই খাদ্য বিভাগ বা প্রশাসনের। সরকার শেষ পর্যন্ত ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা অর্জন করতে না পারলে মূল্য দিতে হবে ভোক্তাসাধারণকে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ‘বোরো মৌসুমে উপজেলায় ৯৩০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়েছে। এই সকল জমি থেকে ৬হাজার ১১২ মেট্রিকটন ধান ও ৪হাজার ১৬০ মেট্রিকটন চাউল উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’
লালপুর উপজেলা খাদ্য গোডাউনের কর্মকর্তা ওসি এলএসডি রফিকুল ইসলাম জানান, ‘উপজেলায় এবার বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩৪ লক্ষ ৩২ হাজার টাকায় ১৩২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষমাত্রা থাকলেও এখন পর্যন্ত কৃষকের থেকে কোন ধান পায়নি খাদ্য বিভাগ। সরকার নির্ধারিত প্রতি কেজি ধান ২৬ টাকা কেজি দরে প্রতিমন ১ হাজার ৪০ টাকা দর বেঁধে দিয়েছে কিন্তু কৃষকরা বাজারে ধানের ভালো দাম প্রতিমন সাড়ে ৯শ থেকে ১ হাজার টাকায় পাওয়ায় কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রি করছে না।
উপজেলার নবীনগর এলাকার ধান চাষী সাহাবুল ও দক্ষিণলালপুর এলাকার চাষী লুৎফর বলেন, ‘প্রতি বছর গুদামে ধান দিতে গেলে আদ্রতা না থাকার কথা বলে আমাদের ধান নিতো না। আগে ধান বিক্রি হতো না বলে লটারীর মাধ্যমে বিক্রির চেষ্টা করতাম। এবছর আমাদের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে আর বাজারে ধানের দামও ভালো প্রতিমন সাড়ে ৯শ থেকে ১২শ টাকা। তাই এবার ধান বিক্রি করে লাভ হচ্ছে’
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সালাউদ্দিন বলেন, ‘এবছর কৃষক সরকারী মূল্যের চেয়ে বাজারে ধান বিক্রি করে অতিরিক্ত মূল্য পাচ্ছে। আমরা এখনো ধান সংগ্রহ করতে পরিনাই। তবে নির্ধারিত লক্ষমাত্রা পূরণে আমরা চেষ্টা করছি ।’
বোরো সংগ্রহের সময়সীমা আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও শেষ পর্যন্ত খাদ্য বিভাগ লক্ষমাত্রা অর্জন করতে পারবে কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। ভোক্তাদের ধারণা বড় ব্যবসায়ী ও আড়ৎদাররা মজুদ গড়ে তোলার মাধ্যমে যে কোনো পরিস্থিতিতে কৃত্তিম সংকট তৈরী করে চালের দাম বাড়াতে পারেন ব্যবসায়ী ও আড়ৎদারেরা।
কোনো ব্যবসায়ী বা আড়ৎদার যেনো ধান মজুদ করে চালের কৃত্তিম সংকট সৃৃষ্টি না করতে পারে তার জন্য নিয়োমিত বাজার মনিটরিং করা হবে বলে জানিয়েছেন লালপুর উপজেলা নির্র্বাহী অফিসার উম্মুল বানীন দ্যুতি।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft