শিরোনাম: সোশ্যাল মিডিয়ায় দেশবিরোধী তথ্য প্রচার হলে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা       পুলিশের হেফাজতে ওসি প্রদীপ, নেওয়া হচ্ছে কক্সবাজার আদালতে       করোনা মোকাবিলায় এডিবির আরও ১৫ কোটি টাকা অনুদান       সরকার দুর্নীতিকে সংরক্ষণ করতে চায় : রিজভী       সাহেদের দশ দিনের রিমান্ড চায় দুদক       মহেশপুরে সরকারি রাস্তা দখল করে পাঁকা ঘরবাড়ি নির্মাণ, বিপাকে একশ পরিবার       চুয়াডাঙ্গায় নতুন করে ৭১ জনের করোনা শনাক্ত       রাঙ্গামাটিতে পিসিআর ল্যাবে করোনা পরীক্ষা শুরু       পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে করোনা, আরো ৬১ জনের মৃত্যু       ট্রাম্পের অ্যাকাউন্টে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ট্যুইটার      
যুবককে নির্দয়ভাবে হাতুড়িপেটা, কাছে দাঁড়িয়ে দেখল পুলিশ!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
Published : Saturday, 1 August, 2020 at 4:54 PM
যুবককে নির্দয়ভাবে হাতুড়িপেটা, কাছে দাঁড়িয়ে দেখল পুলিশ!কয়েক কিলোমিটার ধাওয়া করা হলো যুবক লোকমানকে।  এরপর গাড়ি থেকে নামিয়ে তাকে নির্দয়ভাবে পেটাতে থাকে কয়েকজন গো-রক্ষক। চলে লাথি, কিল-ঘুষিও। গোটা ঘটনাটা কাছে দাঁড়িয়ে দেখল পুলিশ।
শুক্রবার সকাল ৯টায় ভারতের দিল্লির কাছে গুরগাঁওয়ে নির্মম এই ঘটনা ঘটে। লোকমানকে হাতুড়িপেটার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময় জানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকলে পুলিশ কিছুই বলেনি! বরং চারপাশে কৌতূহলী যে ভিড় ততক্ষণে জমে গিয়েছিল ‘মজা’ দেখতে, তাতে মিশে নীরব দর্শক হয়ে থেকে গেল।
জানা গেছে, গরুর মাংস বহন করছে সন্দেহে কয়েকজন গো-রক্ষক একটি পিক-আপ ট্রাককে ধাওয়া করে। প্রায় আট কিলোমিটার পিছু নিয়ে ওই পিক-আপকে শেষ পর্যন্ত থামাতে বাধ্য করে তারা।
এরপর টেনেহিঁচড়ে নামায় পিক-আপের চালক লোকমানকে। কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে, গরুর মাংস পাচারকারী সন্দেহে নৃশংসভাবে তারা মারতে থাকে তাকে।
এ যেন ২০১৫ সালের দাদরি গণপিটুনিরই পুনরাবৃত্তি। ওই ঘটনাও ঘটেছিল দিল্লিরই অদূরে নয়ডায়।
এই সময়ের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বলা ভালো  পুলিশ উপভোগ করেছে ওই গণপিটুনি। ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর, সেই পুলিশকেই দেখা গেল অতি তৎ‌পর হয়ে মাংসের নমুনা ল্যাব টেস্টে পাঠাতে- গরু না মহিষের মাংস সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে। দাদরির ক্ষেত্রেও অবিকল তাই ঘটেছিল।
নৃশংস এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। এমকি ভিডিওতে অভিযুক্তদের মুখ ঘুরে বেড়ালেও, গুরগাঁও পুলিশ এতে গা করছে না।
জানা গেছে, এভাবে নৃশংস কায়দা পিটুনির পরও গো-রক্ষকরা ক্ষান্ত হননি। ভিড় এড়াতে ওই অবস্থায় লোকমানকে পিক-আপ ট্রাকে তুলে গুরগাঁওয়ের বাদশাহপুর গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে আবার দ্বিতীয় দফায় তাকে পিটিয়ে আধমরা করা হয়।
পরে লোকমানকে হাসপাতালে ভর্তি করে, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের নামে মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
ওই পিক-আপের মালিক পুলিশকে জানিয়েছে, গাড়িতে গো-মাংস নয়, মহিষের মাংস ছিল। বিগত ৫০ বছর ধরে তিনি এই ব্যবসা করে আসছেন।
গুরগাঁও পুলিশ তাদের এই নিস্পৃহতা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকেই স্বঘোষিত গো-রক্ষকরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই গণপিটুনির শিকার হয়েছেন মুসলিমরা।




« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
 আমাদের পথচলা   |    কাগজ পরিবার   |    প্রতিনিধিদের তথ্য   |    অন লাইন প্রতিনিধিদের তথ্য   |    স্মৃতির এ্যালবাম 
সম্পাদক ও প্রকাশক : মবিনুল ইসলাম মবিন
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : আঞ্জুমানারা
পোস্ট অফিসপাড়া, যশোর, বাংলাদেশ।
ফোনঃ ০৪২১ ৬৬৬৪৪, ৬১৮৫৫, ৬২১৪১ বিজ্ঞাপন : ০৪২১ ৬২১৪২ ফ্যাক্স : ০৪২১ ৬৫৫১১, ই-মেইল : gramerka@gmail.com, editor@gramerkagoj.com
Design and Developed by i2soft